পৃথিবীতে সবচেয়ে সহজলভ্য 'জিনিস'
কোনটা?
আমায় এ প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আমি একটার-ই কথা বলবো...
- 'উপদেশ'।
পৃথিবীতে সহজে পাওয়া যায় জিনিস গুলোর তালিকা তৈরী করতে বললে আমি এই 'উপদেশ' কে সবার উপরে রাখবো - এর চেয়ে সহজলভ্য কিছু... আমি আর একটাও দেখি না! আজকাল যেখানেই যাই আত্মীয়- আনাত্মীয়, অল্পপরিচিত -আধাপরিচিত সবাই এই বিশেষ জিনিসটা নিয়ে তৈরী। কাজের লোক, পরিচিত ফকির কেউই বাদ থাকছে না। সবাই নানা ছুতোয় উপদেশ বাক্য শুনিয়ে দিচ্ছে, যে পারছে না সেও চেষ্টার কোন ত্রুটি রাখছে না -প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে..!!! কেউ ভেবে বসো না যে উপদেশ শব্দটাকে আমি নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছি, মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি গুনী লোকের একটা উপদেশ কারো জীবনটাকে পাল্টে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু আমার লোকেরা কি করছে -উপদেশের মোড়কে এঁরা শুধু কমনসেন্স গুলোই বার বার জাহির করছে। আমার এতো রাগ হতো না.. 'মহাপ্রয়োজনের' সময় যদি এদের একজনকেও কাছে পেতাম...। ষোল বছর বয়স, জীবনের সবচেয়ে আপন লোকটাকে হারিয়ে চারদিকে যখন অন্ধকার দেখছিলাম... জীবনের ওই ঘোর দুঃসময়টাতে যখন দু'বছর পড়াশোনা বন্ধ রাখতে হয়েছিল; তখন কিন্তু উপদেশ দাতা/দাত্রী আমার তথাকথিত এই শুভাকাঙ্গীদের কেউই কোন খোঁজ করে নি। প্রাণের বন্ধুটিও তখন কাছে থেকেও কয়েক 'আলোকবর্ষ' দূরে... । এই উপদেশ দাতাদের হাত থেকে কীভাবে নিস্তার পাওয়া যায়? এদের ভয়ে অবশ্যই ঘরে বসে থাকতে পারি না। বাজারে সুপার গ্লু নামে একধরণের মলম পাওয়া যায় (তরল মলম) -কোন কিছু জোড়া লাগাতে এর জুড়ি নেই (আমার ফাঁটা বেল্ট, ফাঁটা জুতা খুব সুন্দর ভাবে জোড়া লাগিয়েছে) -ভাবছি এবার থেকে ওটা পকেটে নিয়ে ঘুরবো, যে-ই গায়ে পড়ে উপদেশ দিতে আসবে মলম লাগিয়ে তার ঠোঁট...
আমায় এ প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আমি একটার-ই কথা বলবো...
- 'উপদেশ'।
পৃথিবীতে সহজে পাওয়া যায় জিনিস গুলোর তালিকা তৈরী করতে বললে আমি এই 'উপদেশ' কে সবার উপরে রাখবো - এর চেয়ে সহজলভ্য কিছু... আমি আর একটাও দেখি না! আজকাল যেখানেই যাই আত্মীয়- আনাত্মীয়, অল্পপরিচিত -আধাপরিচিত সবাই এই বিশেষ জিনিসটা নিয়ে তৈরী। কাজের লোক, পরিচিত ফকির কেউই বাদ থাকছে না। সবাই নানা ছুতোয় উপদেশ বাক্য শুনিয়ে দিচ্ছে, যে পারছে না সেও চেষ্টার কোন ত্রুটি রাখছে না -প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে..!!! কেউ ভেবে বসো না যে উপদেশ শব্দটাকে আমি নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছি, মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি গুনী লোকের একটা উপদেশ কারো জীবনটাকে পাল্টে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু আমার লোকেরা কি করছে -উপদেশের মোড়কে এঁরা শুধু কমনসেন্স গুলোই বার বার জাহির করছে। আমার এতো রাগ হতো না.. 'মহাপ্রয়োজনের' সময় যদি এদের একজনকেও কাছে পেতাম...। ষোল বছর বয়স, জীবনের সবচেয়ে আপন লোকটাকে হারিয়ে চারদিকে যখন অন্ধকার দেখছিলাম... জীবনের ওই ঘোর দুঃসময়টাতে যখন দু'বছর পড়াশোনা বন্ধ রাখতে হয়েছিল; তখন কিন্তু উপদেশ দাতা/দাত্রী আমার তথাকথিত এই শুভাকাঙ্গীদের কেউই কোন খোঁজ করে নি। প্রাণের বন্ধুটিও তখন কাছে থেকেও কয়েক 'আলোকবর্ষ' দূরে... । এই উপদেশ দাতাদের হাত থেকে কীভাবে নিস্তার পাওয়া যায়? এদের ভয়ে অবশ্যই ঘরে বসে থাকতে পারি না। বাজারে সুপার গ্লু নামে একধরণের মলম পাওয়া যায় (তরল মলম) -কোন কিছু জোড়া লাগাতে এর জুড়ি নেই (আমার ফাঁটা বেল্ট, ফাঁটা জুতা খুব সুন্দর ভাবে জোড়া লাগিয়েছে) -ভাবছি এবার থেকে ওটা পকেটে নিয়ে ঘুরবো, যে-ই গায়ে পড়ে উপদেশ দিতে আসবে মলম লাগিয়ে তার ঠোঁট...

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন