“একদা ঢাকাই ছবি খুব দেখতাম,
বেশীরভাগ ছবিতে দেখা যেত নায়ক-নায়িকা ঝড় বৃষ্টির কোন এক দিনে কোন এক ঘুপছি ঘরে আটকে গেছে-চারিদিকে ঝুম বৃষ্টি। নায়ক মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে আছে আধা ভেজা নায়িকার দিকে, নায়িকা 'শরমে মরিতে চায় অন্চল আড়ালে'...
আচমকা আকাশে কানফাটা বজ্রপাত... এরপরে কী হয় যে দেখেছ সে নিশ্চয় মনে করতে পারছ, নায়িকা লাজ-লজ্জা 'শরমের অন্চল' সমস্ত কিছু বর্ষার পানিতে বিসর্জন দিয়ে ভয়ে নায়কের বুকে হুমড়ি খেয়ে পড়
বে...! এরপর বাড়ি গিয়ে বাবা-মাকে বলা শুরু করবে, "ওকে ছাড়া আমি বাঁচবো না, ওকে না পেলে বিষ খাবো- গলায় দড়ি দেবো হেন করবো তেন করবো''
ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব কান্ড কারখানা দেখে মেজাজটা খুব খারাপ হয়ে যেত। কিন্তু আজ মনে হচ্ছে সেই সময়ের ঢাকাই ছবিতে যা হতো বাস্তবেও তা সম্ভব, খুব সম্বব। ঘন্টা দেড়েক আগে রাস্তায় হাঁটছিলাম আমার সামনে একটু দূরে ছিল এক দাদু, সেও হেঁটে যাচ্ছিল আর তাঁর সামনে বই খাতা নিয়ে এক তরুনী (পাশের গ্রামের মেয়ে) হাঁটছিল। হঠাত্ আকাশে প্রচন্ড শব্দে মেঘের গর্জন,
এতো জোরে শব্দ সাধারণত খুব একটা হয় না - আমিও ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম! সামনে অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম তরুনীটি ভয়ে ঢাকাই ছবির স্টাইলে দাদুকে প্রায়.....
আপসোস একটাই আশেপাশে ঢাকাই ছবির কোন নির্মাতা ছিলেন না, থাকলে ওই দৃশ্য দেখে নির্ঘাত একটা script তৈরী করে ফেলতেন যদিও ঢাকাই ছবিতে অসম প্রেমের কোন নিয়ম নাই কিন্তু সেই দৃশ্যটাতে এত্তো রোমান্টিকতা ছিল যে নির্মাতা ঠিক একটা উপায় বের করে ফেলতেন।" :-D
আপসোস একটাই আশেপাশে ঢাকাই ছবির কোন নির্মাতা ছিলেন না, থাকলে ওই দৃশ্য দেখে নির্ঘাত একটা script তৈরী করে ফেলতেন যদিও ঢাকাই ছবিতে অসম প্রেমের কোন নিয়ম নাই কিন্তু সেই দৃশ্যটাতে এত্তো রোমান্টিকতা ছিল যে নির্মাতা ঠিক একটা উপায় বের করে ফেলতেন।" :-D
[21 June, 2012]

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন