মেয়েদের আমি বরাবরই খুব ভয় পাই।
- আমার এই কথা শুনে আমার সাহসী বন্ধুরা রেগে ওঠে।
‘‘হারামজাদা! ওরা কি বাঘ- ভাল্লুক, খেয়ে ফেলবে, ওদের ভয় পাওয়ার কী আছে?’’
আমি বলি, আমি ওঁদের ভয় পাই আলাদা কারণে। ওরা আমাদের থেকে আলাদা এটাও একটা কারণ হয়ে থাকতে পারে। আমি ওঁদের ভয় পাই কারণ, আমি ওঁদের জানি না। আমার ভয় আরও বেড়ে যায় যখন গুণীদের লেখায় পড়ি, “মেয়েদের ব্যাপারে দেবতারাও সন্দিহান”! ওঁরা রহস্যময় এক ‘Homo sapiens’-ওঁদের শরীরের গঠন আলাদা, ওঁরা পোশাক পড়ে আলাদা, ওঁদের ভাবনা চিন্তাগুলোও আলাদা।
ওঁরা শারীরিকে অবলা কিন্তু আমি শুনেছি এবং দেখেওছি বড় বড় অনেক শক্তিশালীরাও
ওঁদের ব্যাপারে দুর্বল...!
একজন তুখোড় মেধাবী বন্ধুর কথা মনে পড়ে গেল, যাকে দেখে মাঝে মধ্যে ঈর্ষার সূক্ষ্ম খোঁচা অনুভব করতাম। ...হঠাৎ কি থেকে যে কী হলো, দেখি পড়াশোনার বারোটা বাজিয়ে সে সিগরেট ফুঁকছে, সর্বহারার মত বলছে, ‘জীবনটা আমার ধ্বংস হয়ে গেছে, এ জীবনে আর কিচ্ছু হবে না!’
খোঁজ নিয়ে দেখি একটা মেয়ের সাথে ওর কী যেন কথা হয়েছিল কিন্তু মেয়েটা এখন তাঁর কথা শোনে না। শক্ত –সামর্থ্য একটা ছেলে দিব্যি চলাফেরা করছে, একটা মেয়ে অদৃশ্য কী যেন একটা করলো ব্যাস ‘জীবনটা তাঁর ধ্বংস হয়ে গেল’!
আসল কথায় আসি….
“ভয়কে জয় করে জ্ঞান” –কিন্তু আমি গন্ডমূর্খ! আমার ভয় পাওয়ার কারণ এটাও হয়ত…..
[24 October, 2012]
