Powered By Blogger

শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৩

শচীন টেন্ডুলকার টোটকা...


সেন্চুরী তো অনেক দূর... আগের ফিফটি-টি ছিল ১০ ইনিংস আগে! তাঁর সামর্থ নিয়ে কারো মনে কোন সংশয় নেই, আগেও ছিল না। কিন্তু কেন যেন কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। সাবেকরা নানা রকম মতবাদ দিচ্ছেন, "একজন গ্রেট প্লেয়ারের তখনই অবসর নেয়া উচিত্‍ যখন সবাই বলবে, কেন যাচ্ছো-কেন যাচ্ছো?" কিন্তু লিটল মাস্টারের সাম্প্রতিক স্কোরগুলো 'কেন আছো-কেন আছো' টাইপের!

আজ ৭৬। অবশেষে রানের দেখা পেলেন ইন্ডিয়ান ক্রিকেট দেবতা।
নেট প্রাকটিস, মেডিটেশন এগুলো কিন্তু তাঁকে দিনের পর দিন চলতে থাকা ব্যার্থতা থেকে উদ্ধার করতে পারে নি।
আসল ঘটনাটা এরকম... "শচীন সেদিন ড্রেসিংরুমে ঢুকেই দু’টো জিনিস চেয়ে বসলেন।
তাঁর পয়া ব্যাটের তলদেশে অতি সামান্য চিড় চোখে পড়েছে। অতএব ছুতোর চাই।
শতজীর্ণ আর্মগার্ডে সেলাই দরকার। দর্জি ডাকো।
শচীনের এই আবদার শুনে অবাক হয়ে যান ড্রেসিংরুমে উপস্থিত কেউ কেউ। যতক্ষণ না ছুতোর এসেছে, ব্যাটটা আগলে রেখেছেন শচীন। দর্জি সরঞ্জাম ভুলে ফেলে এসেছেন, অধৈর্য হয়ে লিটল মাস্টারের ডাক, “আরে, আমার কাছেই তো সব আছে!” বলে নিজেই ব্যাগ খুলে বার করেছেন সেলাইয়ের যাবতীয় সরঞ্জাম। উপস্থিত সবাই বিস্ময়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট।" শচীনের সাফল্যের রহস্য উন্মোচিত হওয়ার পর
[ :-D ] একজনের কথা আমার খুব মনে পড়ছে। তাঁর কথা মনে আছে তো? '৯৯-র ওয়ার্লডকাপ চমকের পর এক ঝটকায় টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ। এরপর বছরের পর বছর হারতে হারতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাওয়া BD টীমকে জয়ানুভূতি পাইয়ে দিয়েছেন। [সালটা ১0/0৩/২00৪, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে] এরপর আরো কয়েকটা অবিশ্বাস্য বড় বড় জয় এসেছে তাঁর হাত ধরে, তাঁর তৈরী মহান একটা রেকর্ড প্রায় এক যুগ ধরে অক্ষত। তিনি মোহাম্মদ আশরাফুল। নিজের বাজে ফর্ম, এনামুল-মমিনুলদের আবির্ভাব সবমিলিয়ে সুদূরতম ভবিষ্যতেও তাঁর দলে ফেরার [বা স্থায়ী হওয়ার] সম্ভাবনা নেই! তাঁর প্রতিভা-সামর্থ নিয়েও কারো মনে কোন সংশয় নেই, কিন্তু তবুও কেন যে কিছু হচ্ছে না!? দলে ফিরতে মরিয়া আশরাফুল হয়তো ঘন্টার পর ঘন্টা নেটে সময় কাটাচ্ছে অথবা রিকি পন্টিংয়ের পুরনো ভিডিও ফুটেজগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে। আমার মতে ওসব রেখে তাঁর 'শচীন টেন্ডুলকার টোটকা' গ্রহন করা উচিত্‍। সহজ এবং কার্যকরী। কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়া অথবা গায়ানায় দক্ষিণ আর্ফিকা বধে ব্যবহৃত সরঞ্জাম গুলো কোথায় [ব্যাট-প্যাড-গ্লাভস-আন্ডারওয়ার প্রভৃতি]? আশরাফুল ডিয়ার, বাড়ির আনাচে কানাচে ঢুঁ মারো-সময় এসেছে ওগুলো খুঁজে বের করার।


5 December 2012 

• শচীন সম্পর্কীত তথ্যগুলোর উত্‍স
আজকের আনন্দবাজার পত্রিকা

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন