সেন্চুরী তো অনেক দূর... আগের ফিফটি-টি ছিল ১০ ইনিংস আগে! তাঁর সামর্থ নিয়ে কারো মনে কোন সংশয় নেই, আগেও ছিল না। কিন্তু কেন যেন কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। সাবেকরা নানা রকম মতবাদ দিচ্ছেন, "একজন গ্রেট প্লেয়ারের তখনই অবসর নেয়া উচিত্ যখন সবাই বলবে, কেন যাচ্ছো-কেন যাচ্ছো?" কিন্তু লিটল মাস্টারের সাম্প্রতিক স্কোরগুলো 'কেন আছো-কেন আছো' টাইপের!
আজ ৭৬। অবশেষে রানের দেখা পেলেন ইন্ডিয়ান ক্রিকেট দেবতা।
নেট প্রাকটিস, মেডিটেশন এগুলো কিন্তু তাঁকে দিনের পর দিন চলতে থাকা ব্যার্থতা থেকে উদ্ধার করতে পারে নি।
আসল ঘটনাটা এরকম... "শচীন সেদিন ড্রেসিংরুমে ঢুকেই দু’টো জিনিস চেয়ে বসলেন।
তাঁর পয়া ব্যাটের তলদেশে অতি সামান্য চিড় চোখে পড়েছে। অতএব ছুতোর চাই।
শতজীর্ণ আর্মগার্ডে সেলাই দরকার। দর্জি ডাকো।
শচীনের এই আবদার শুনে অবাক হয়ে যান ড্রেসিংরুমে উপস্থিত কেউ কেউ। যতক্ষণ না ছুতোর এসেছে, ব্যাটটা আগলে রেখেছেন শচীন। দর্জি সরঞ্জাম ভুলে ফেলে এসেছেন, অধৈর্য হয়ে লিটল মাস্টারের ডাক, “আরে, আমার কাছেই তো সব আছে!” বলে নিজেই ব্যাগ খুলে বার করেছেন সেলাইয়ের যাবতীয় সরঞ্জাম। উপস্থিত সবাই বিস্ময়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট।" শচীনের সাফল্যের রহস্য উন্মোচিত হওয়ার পর
[ :-D ] একজনের কথা আমার খুব মনে পড়ছে। তাঁর কথা মনে আছে তো? '৯৯-র ওয়ার্লডকাপ চমকের পর এক ঝটকায় টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ। এরপর বছরের পর বছর হারতে হারতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাওয়া BD টীমকে জয়ানুভূতি পাইয়ে দিয়েছেন। [সালটা ১0/0৩/
5 December 2012
• শচীন সম্পর্কীত তথ্যগুলোর উত্স
আজকের আনন্দবাজার পত্রিকা

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন