সাত সকালে বাজার গেছি কিন্তু গিয়ে দেখি দোকান পাট সব বন্ধ। কারণ কি?
–হরতাল!
জামাত হরতাল ডেকেছে। ওরা সবাই মিছিল বের করেছে। “যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁশি
চাই, ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ কর -করতে হবে” বলে চিৎকার চেঁচামেচি করছে।
এসব দেখে আমি একেবারে খাম্বিত (বিস্ময়ে খাম্বার মত দাঁড়িয়ে থাকলাম)!
কি দেখছি এসব? যা দেখছি সব সত্যি তো? আমি বাম হাতে জোরে চিমটি দিলাম...। ফশ করে ঘুমটা ভেঙ্গে গেল।
গতকাল রাতে prothom-alo.com-এ হরতালের নিউজ পড়তে পড়তে নানা রকম চিন্তা করেছিলাম, নানা রকম চিন্তা...। ভাবছিলাম সর্বশক্তিমানের ক্ষমতা নিয়ে।
হে সর্বশক্তিমান আপনি তো অসীম ক্ষমতার অধিকারী। আমাদের মাথার ঢিলা স্ক্রুগুলো টাইট করে দিন তো, দেখি আপনার কত্ত ক্ষমতা?
“রাজনীতিবিদেরা হচ্ছে ঝানু ব্যবসায়ী। তারা সবাই ব্যবসা করছে। সবাই করছে।
আওয়ামীলীগ ব্যবসা করছে একাত্তরের চেতনা নিয়ে, বি.এন.পি-জামাত ব্যবসা করছে
ধর্মীয় আবেগ নিয়ে” –আমাদের (বোকাচোদা পাবলিকদের) মাথায় এটা ঢুকিয়ে দিন তো,
দেখি আপনার কত্ত ক্ষমতা.........।
বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৩
নিজের জন্মদিনে রাজীব ভাইয়ের পোস্ট...
চোখ
বন্ধ করলেই আমি ছেলেটাকে দেখতে পাই। রোগা-পলকা শরীর। তালপাতার সেপাই।
লিকলিকে লম্বা। যেন একটু দমকা বাতাসেই উড়ে যাবে। ভাঙা গাল। কোটরাগত চোখ।
বাড়ন্ত বয়সটায় প্রয়োজনীয় বাড়তি পুষ্টি না পাওয়ার এক জীবন্ত মানচিত্র। নাকের
নিচে উঁকি দিতে শুরু করেছে বেয়াড়া গোঁফ। এ নিয়ে ছেলেটা লজ্জায় আড়ষ্ট ।
বয়সটা শুধু শরীরের দিক দিয়েই তো আর বাড়ন্ত নয়; মনে, মানে-অভিমানেও। অকারণে
আড়ালে কাঁদার।
ছেলেটা খুব লজ্জা লজ্জা ভাব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যেন
ভয়ংকর কোনো অপরাধ করে ফেলেছে। মনে মনে প্রার্থনা করে যাচ্ছে, পরিচিত কেউ
যেন তাকে এভাবে আবিষ্কার না করে। সমস্যা হলো, দিনটা আবার শুক্রবার। এদিন
রংপুরের পৌরবাজারে অনেকেই বাজার করতে আসে। বাবার হাত ধরে আসে ছেলেরা। এই
ছেলেটাও যেমন এসেছে। বাবার সঙ্গেই। কিন্তু এতে লজ্জার কী আছে?
আছে।
কারণ ছেলেটা পৌরবাজারে কিছু কিনতে আসেনি। এসেছে বিক্রি করতে। পৌরবাজারের
চলটা উঠে যাওয়া,পলেস্তারা খসে পড়া, এককালের সবুজ রঙের কিছু সাক্ষী-সবুদ
বুকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে থাকা মেইন গেটের পাশেই দাঁড়িয়ে আছে ছেলেটি। সামনে
একটা আধখোলা বস্তায় ভুট্টা রাখা। ক্লাস এইটের পড়াশোনাকে সাময়িক বিরতি দিয়ে
শহুরে ছেলেটা গ্রামে গিয়ে থেকেছিল ছয় মাস। এই সময়ের অনভ্যস্ত চাষাবাদের
সাক্ষী এই ভুট্টা। ছেলেটা সেটাই বেচতে এসেছে। ছেলেটার পরিচয় এখন ভুট্টা
বিক্রেতার। মধ্যবিত্তের সামাজিক বিন্যাস ছেলেটা ততদিনে বুঝে গেছে বলেই
জানে, এই পরিচয়টায় বেশ লজ্জার ব্যাপার আছে। কেউ এই অবস্থায়, বিশেষ করে তার
ক্লাসের বন্ধুরা দেখে ফেললে সর্বনাশ হয়ে যাবে। বন্ধুরা তো আর বুঝবে না, কোন
অবস্থায় পড়ে আজ তাকে ভুট্টা বেচতে হচ্ছে। এ নিয়ে হাসাহাসি হবে খুব।
ছেলেটাকে আবার আড়ালে গিয়ে কাঁদতে হবে। বয়সটা গুমোট কান্নার, দলা পাকিয়ে ওঠা
অভিমানের।
যখন খুব হতাশ হয়ে পড়ি, এই ছেলেটার কথা ভাবি। হুট করে
মধ্যবিত্ত থেকে গরিব, প্রায় নিঃস্ব হয়ে যাওয়া একটা পরিবারে বেড়ে ওঠা সেই
ছেলেটা একের পর এক বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। প্রাইভেট পড়ার বিলাসিতা ছিল না
বলে সায়েন্স বাদ দিয়ে মানবিক বিভাগ বেছে নেওয়া। বন্ধুদের ফিজিক্সের সূত্র
মুখস্ত করতে দেখার দীর্ঘশ্বাস বুকে চেপে রেখে সেই ছেলে এসএসসিতে বেশ ভালো
করল। এইচএসসিতেও। এর পর ভর্তি হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন
বিভাগে। কিন্তু ছেলেটা যে কৃষক। নিজ হাতে সে বীজ বুনেছে, ছুঁয়ে দেখেছে কচি
শস্য পাতার বুকে জমা শিশির। সেই হাতেই সে বীজ বুনেছে শব্দের। রোপিত সেই
শব্দের বীজকে কখনো গল্পের ফসল হতে দেখেছে, কখনো কবিতা কিংবা নেহাতই অর্থহীন
কিছু পঙ্ক্তির। লেখালেখিটা ছেলেটার এতই ভালো লাগত, হুট করে একদিন সে হয়ে
গেল সাংবাদিক। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, সেই ছেলেটা, সেই ভুট্টা বিক্রেতা
লাজুক ছেলেটাই মাত্র ২৬ বছর বয়সে দেশের শীর্ষ দৈনিকের জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদকও
হয়ে গেল একদিন। এত কম বয়সে, এত প্রতিকূলতার স্রোত ডিঙিয়ে শীর্ষ দৈনিকের এত
গুরুত্বপূর্ণ পদে উঠে আসা---এ তো রূপকথা! এ তো গর্বের। কিন্তু এ এমন এক
গল্প, যেটা লিখতে গিয়ে কেন জানি বারবার ঝাপসা হয়ে আসছে আমার চোখ। পলকা
বাতাসেই উড়ে যাওয়া শরীর নিয়েও প্রচণ্ড ঝড়ে অবিচল থেকে করে যাওয়া ছেলেটার এই
লড়াই যে আমি একদম কাছে থেকে দেখেছি।
ছেলেটার আজ জন্মদিন। আমাকে
নিরন্তর অনুপ্রেরণা জুগিয়ে চলা সেই ভুট্টা বিক্রেতা ছেলেটাকে জন্ম দিনের
শুভেচ্ছা। শুভ জন্মদিন রাজীব হাসান!
ফার্স্ট লেডি
লুদমিলা
পুতিন, মেহেরিভানা আলিয়েভের এবং লুদমিলা ইয়ানুকোভিচ। ইনারা যথাক্রমে
রাশিয়া, আজারবাইজান এবং ইউক্রেনের ফার্স্ট লেডি। "বাংলদেশের ফার্স্ট লেডির
নাম কি?" কোন কুইজে এরম প্রশ্ন বোধকরি কখনোই আসে নি, অদুর ভবিষ্যতে আসবে
সেই সম্ভাবনাও অল্প। কেন মন্তব্য নিস্প্রয়োজন...
আমি ভয়াবহ রকম 'নস্টালজিক'!
আমি
ভয়াবহ রকম 'নস্টালজিক'! যাহাই হোক না কেন...বাড়ি ছাড়বো না - সব সময় এরম
একটা ভাব নিয়ে চলি...!!! (খুব সম্ভবত এজন্যই, এখনও 'হটেনটটের' পর্যায়েই রয়ে
গেছি)। অবস্থা এমনই ভয়াবহ যে, ভিআইপি গ্যালারীতে বসে আইপিএল ফাইনাল দেখার
সুযোগ ঘটলেও মনে হয় সটান না বলে দেব!
বাড়ি ছেড়ে বেশীদিন দুরে থাকলে অদ্ভুত একটা কষ্ট অনুভব করি (ওটা শব্দ দিয়ে প্রকাশ করতে পারবো না)।
নস্টালজিয়ার কারণ কী? এ থেকে পরিত্রাণের উপায়ই বা কী? ভাবছি এ নিয়ে বই লেখা শুরু করে দেব....
বেঞ্জামিন ডিজরেইলি বলেছেন, "কোন বিষয় সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত হতে চাইলে তা নিয়ে বই লেখা শুরু করাই ভালো"
বাড়ি ছেড়ে বেশীদিন দুরে থাকলে অদ্ভুত একটা কষ্ট অনুভব করি (ওটা শব্দ দিয়ে প্রকাশ করতে পারবো না)।
নস্টালজিয়ার কারণ কী? এ থেকে পরিত্রাণের উপায়ই বা কী? ভাবছি এ নিয়ে বই লেখা শুরু করে দেব....
বেঞ্জামিন ডিজরেইলি বলেছেন, "কোন বিষয় সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত হতে চাইলে তা নিয়ে বই লেখা শুরু করাই ভালো"
35370000….. না এটা কোন টেলিফোন নাম্বার নয়।
35370000….. না এটা কোন টেলিফোন নাম্বার নয়। আমাদের টাইগারদের শেষ আট জনের দৌড়ের (পড়ুন রানের) হিসাব।
শ্রীলংকার সাথে খেলে দেখিয়ে দিয়েছেন... টেস্টে তাঁরা কত্তো উন্নতি করেছেন৷ উন্নতির জোয়ারে তিনারা কতদূর ভেসে গেছেন জিম্বাবুয়েতে গিয়ে সেটা দেখিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কাল এক উইকেটে ৯৫ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করে আজ ১৩৪ তেই সব শেষ!!!
তাঁদের একেকজনের রানগুলো টেলিফোন নাম্বারের ডিজিটের মত দেখতে... উন্নতি কি সেইখানেই?
এ মুহূর্তে একটা প্রশ্নই মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে...
শ্রীলংকার সাথে ম্যাচগুলোয় বাংলাদেশের ওরম ফলাফলের কারণ কী? আজকের খেলা দেখে মনে হচ্ছে সেই ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশ ভালো খেলে নি...। সেই ম্যাচ গুলোতে বাংলাদেশ ভালো করেছিল শ্রীলংকা খারাপ খেলেছিল বলে...।
আমি কাউকে ব্লেম করতে চাই না। আমাদের সদ্য কৈশোর পার করা টাইগারবৃন্দের হয়তো খুব বেশী সামর্থ্য নেই; এর চেয়ে ভাল খেলার...।
আমাদের টাইগারদের বয়েস কম, যখন তারা যুবক হবে উঠবে তখন ঠিকই বড় বড় শিকার ঘায়েল করতে পারবে।
ছোট থেকে বড় হওয়ার জন্য শুধু ওই একটা জিনিসই প্রয়োজন, সময়।
We are waiting Tigers... grow up quickly... — in Dinajpur.
শ্রীলংকার সাথে খেলে দেখিয়ে দিয়েছেন... টেস্টে তাঁরা কত্তো উন্নতি করেছেন৷ উন্নতির জোয়ারে তিনারা কতদূর ভেসে গেছেন জিম্বাবুয়েতে গিয়ে সেটা দেখিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কাল এক উইকেটে ৯৫ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করে আজ ১৩৪ তেই সব শেষ!!!
তাঁদের একেকজনের রানগুলো টেলিফোন নাম্বারের ডিজিটের মত দেখতে... উন্নতি কি সেইখানেই?
এ মুহূর্তে একটা প্রশ্নই মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে...
শ্রীলংকার সাথে ম্যাচগুলোয় বাংলাদেশের ওরম ফলাফলের কারণ কী? আজকের খেলা দেখে মনে হচ্ছে সেই ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশ ভালো খেলে নি...। সেই ম্যাচ গুলোতে বাংলাদেশ ভালো করেছিল শ্রীলংকা খারাপ খেলেছিল বলে...।
আমি কাউকে ব্লেম করতে চাই না। আমাদের সদ্য কৈশোর পার করা টাইগারবৃন্দের হয়তো খুব বেশী সামর্থ্য নেই; এর চেয়ে ভাল খেলার...।
আমাদের টাইগারদের বয়েস কম, যখন তারা যুবক হবে উঠবে তখন ঠিকই বড় বড় শিকার ঘায়েল করতে পারবে।
ছোট থেকে বড় হওয়ার জন্য শুধু ওই একটা জিনিসই প্রয়োজন, সময়।
We are waiting Tigers... grow up quickly... — in Dinajpur.
Sorry শব্দটার অর্থ সবাই জানো কিন্তু এর উদ্ভাবকের ব্যাপারে কেউ কিছু জানো?
Sorry
শব্দটার অর্থ সবাই জানো কিন্তু এর উদ্ভাবকের ব্যাপারে কেউ কিছু জানো? অনেক
শব্দই আছে যেগুলো নাকি ‘ইন্ডিভিজুয়াল উদ্ভাবক’ দ্বারা উদ্ভাবিত... [ যেমন:
‘ব্যাগ এন্ড ব্যাগেজ’ শব্দটা উদ্ভাবন করেছেন উইলিয়াম সেক্সপিয়ার...]
কে জানে এই ‘sorry’ও নিশ্চয় কোন ‘ইন্ডিভিজুয়াল স্রষ্টা’ দ্বারা সৃষ্ট?
শান্তি প্রতিষ্ঠাকারীদের জন্য পৃথিবীতে নানা রকম পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে... যেমন : নোবেল পুরস্কার, ম্যাগসেসে পুরস্কার, সিউল শান্তি পুরস্কার...।
টলস্টয়কে সাহিত্যে এবং গান্ধিকে শান্তিতে পুরস্কৃত করতে না পারার জন্য নোবেল কমিটি নাকি এখনও হা-হুতাশ করে। কারণ তাঁরা দু’জনই স্ব-স্ব ক্ষেত্রে ‘এক শব্দে শ্রেষ্ঠ’।
সেটা হয়তো তাঁদের মাথাতেই আসে না- আসলে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির দুঃখ নিশ্চয় বহুগুনে বেড়ে যেত... ‘Sorry শব্দটার উদ্ভাবককে’ পুরস্কৃত করতে না পারার দুঃখে...।
পৃথিবীতে বহুজন বহুরকম ভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন/যাচ্ছেন... কিন্তু এই ‘Sorry’ শব্দটার কাছে তাঁরা সবাই ম্লান...।
পাঁচ অক্ষরের এই শব্দটা পৃথিবীতে নীরবে- নিভৃতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে গেছে/যাচ্ছে। অপরাধ যতই বড় হোক, ‘Sorry’ তেই যেন মুক্তি...।
মরণোত্তর নোবেল দেয়ার কথা অলফ্রেড নোবেল বলে জান নি, বললে ‘Sorry’ র জনক খুব সহজেই নোবেল পেয়ে যেতেন। তাঁকে খোঁজার জন্য তো আছেনই... প্রত্নতত্ব বিভাগের মহাপণ্ডিতরা।
হেমায়েতপুরের কাছে কার বাড়ি? ওখানে আমার জন্য কেউ বুকিং দিয়ে আসতে পারবে...? মাথা আমার খারাপ হয়ে যাচ্ছে, আশেপাশে কাগজ থাকলে এতক্ষনে কুঁড়াতে শুরু করে দিতাম!
আর কতক্ষণ থাকি তাঁর ফোনের অপেক্ষায়......?????? — in Dinajpur.
কে জানে এই ‘sorry’ও নিশ্চয় কোন ‘ইন্ডিভিজুয়াল স্রষ্টা’ দ্বারা সৃষ্ট?
শান্তি প্রতিষ্ঠাকারীদের জন্য পৃথিবীতে নানা রকম পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে... যেমন : নোবেল পুরস্কার, ম্যাগসেসে পুরস্কার, সিউল শান্তি পুরস্কার...।
টলস্টয়কে সাহিত্যে এবং গান্ধিকে শান্তিতে পুরস্কৃত করতে না পারার জন্য নোবেল কমিটি নাকি এখনও হা-হুতাশ করে। কারণ তাঁরা দু’জনই স্ব-স্ব ক্ষেত্রে ‘এক শব্দে শ্রেষ্ঠ’।
সেটা হয়তো তাঁদের মাথাতেই আসে না- আসলে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির দুঃখ নিশ্চয় বহুগুনে বেড়ে যেত... ‘Sorry শব্দটার উদ্ভাবককে’ পুরস্কৃত করতে না পারার দুঃখে...।
পৃথিবীতে বহুজন বহুরকম ভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন/যাচ্ছেন... কিন্তু এই ‘Sorry’ শব্দটার কাছে তাঁরা সবাই ম্লান...।
পাঁচ অক্ষরের এই শব্দটা পৃথিবীতে নীরবে- নিভৃতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে গেছে/যাচ্ছে। অপরাধ যতই বড় হোক, ‘Sorry’ তেই যেন মুক্তি...।
মরণোত্তর নোবেল দেয়ার কথা অলফ্রেড নোবেল বলে জান নি, বললে ‘Sorry’ র জনক খুব সহজেই নোবেল পেয়ে যেতেন। তাঁকে খোঁজার জন্য তো আছেনই... প্রত্নতত্ব বিভাগের মহাপণ্ডিতরা।
হেমায়েতপুরের কাছে কার বাড়ি? ওখানে আমার জন্য কেউ বুকিং দিয়ে আসতে পারবে...? মাথা আমার খারাপ হয়ে যাচ্ছে, আশেপাশে কাগজ থাকলে এতক্ষনে কুঁড়াতে শুরু করে দিতাম!
আর কতক্ষণ থাকি তাঁর ফোনের অপেক্ষায়......?????? — in Dinajpur.
কয়েকটা T-shirt নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম বলতে পারবেন কেউ?
কয়েকটা
T-shirt নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম বলতে পারবেন কেউ? আমার কয়েকটা “আমি ভাল
আছি- খুব ভালো” টাইপ লেখাঅলা T-shirt প্রয়োজন! আমার দেয়ালে পিট ঠেকে গেছে,
‘ভালো আছি’ প্রমাণের জন্য সেরম লেখাঅলা T-shirt পড়ে ঘুরে বেড়ানো ছাড়া আমি
আর কোন পথ খুঁজে পাচ্ছি না।
এ মুহূর্তে বসে বসে বাবার অন্য ধংস করছি সত্য, কিন্তু সারাজীবন ধরেই করবো এটা তাঁদের কে বলল?
চারপাশ থেকে নানা রকম পরামর্শ : “এটা কর, ওটা কর- এখনি কর”!
চাকরী, বিয়ে, ফুটফুটে একটা বউ যোগার- এ’কটা বিষয়ের মধ্যেই যেন সীমাবদ্ধ -সমস্ত “করাগুলো”...।
পরামর্শদাতাদের মধ্যে কিছু দার্শনিকও (স্বঘোষিত) আছে, যাদের জীবনবোধ শুনে জীবন ওষ্ঠাগত... “প্রদীপ যে জীবন তুমি যাপন করছ সেটা কিন্তু জীবন নয়, জীবন হল ওটা, যখন...”
[ওদের কাছে জীবনের সংজ্ঞা হল : নিয়মিত বান্ধবী বদলানো, আর উদাহরণ হল : ঘন্টায় ১৫০ কিঃ মিঃ বেগে ছুটতে পারে এমন কিছু একটার উপর চড়ে দাপিয়ে বেড়ানো!]
আমি কিছু একটা করবো, অবশ্যই করবো। আমার just অত তাড়া নেই। কারণ আমি এখনো সেরম কোন রূপসী ললনার প্রেমে পড়ি নি যার বাবা “এক মাসের মধ্যে কিছু করতে না পারলে মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেব” বলে হুমকি দিয়ে রেখেছেন।
পরিশিষ্ট : পড়েছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীটে (Harvard University), পড়ায় (পড়িয়েছে) যুক্তরাস্ট্রের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটিতে (Princeton University) এবং ৪০ পার হয়ে গেছে... কিন্তু Bill এখনো ব্যাচেলর! Why, he has told me about that....
এ মুহূর্তে বসে বসে বাবার অন্য ধংস করছি সত্য, কিন্তু সারাজীবন ধরেই করবো এটা তাঁদের কে বলল?
চারপাশ থেকে নানা রকম পরামর্শ : “এটা কর, ওটা কর- এখনি কর”!
চাকরী, বিয়ে, ফুটফুটে একটা বউ যোগার- এ’কটা বিষয়ের মধ্যেই যেন সীমাবদ্ধ -সমস্ত “করাগুলো”...।
পরামর্শদাতাদের মধ্যে কিছু দার্শনিকও (স্বঘোষিত) আছে, যাদের জীবনবোধ শুনে জীবন ওষ্ঠাগত... “প্রদীপ যে জীবন তুমি যাপন করছ সেটা কিন্তু জীবন নয়, জীবন হল ওটা, যখন...”
[ওদের কাছে জীবনের সংজ্ঞা হল : নিয়মিত বান্ধবী বদলানো, আর উদাহরণ হল : ঘন্টায় ১৫০ কিঃ মিঃ বেগে ছুটতে পারে এমন কিছু একটার উপর চড়ে দাপিয়ে বেড়ানো!]
আমি কিছু একটা করবো, অবশ্যই করবো। আমার just অত তাড়া নেই। কারণ আমি এখনো সেরম কোন রূপসী ললনার প্রেমে পড়ি নি যার বাবা “এক মাসের মধ্যে কিছু করতে না পারলে মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেব” বলে হুমকি দিয়ে রেখেছেন।
পরিশিষ্ট : পড়েছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীটে (Harvard University), পড়ায় (পড়িয়েছে) যুক্তরাস্ট্রের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটিতে (Princeton University) এবং ৪০ পার হয়ে গেছে... কিন্তু Bill এখনো ব্যাচেলর! Why, he has told me about that....
৬৫ -তেই ঝরে গেলো 'তাজা চারটি প্রাণ'!
৬৫
-তেই ঝরে গেলো 'তাজা চারটি প্রাণ'! ১০৯ রানের লীডটা কোন কাজে আসবে?
চিগুম্বুরাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের টানা ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণ আবিস্কার
করে ফেলেছি...। তিনারা রাবণের দেশে গিয়ে মালিঙ্গাদের বিরুদ্ধে
সেঞ্চুরী/ডাবল সেঞ্চুরী ঠুকে দিয়েছেন, জার্ভিস-ক্রেমাররা কী এমন আগুনগোলা
ছুড়ছে যে তাদের সামনে ইনারা বারবার মুখ থুবড়ে পরছেন!!? কারণটা বড়ই করুন...!
তাঁরা ঠুকুস-ঠুকুস টেস্ট খেলছেন ‘হারারে স্পোর্টস ক্লাব’ মাঠে
কিন্তু তাঁদের মন পড়ে আছে ইডেন গার্ডেনস, চিন্নাস্বামী, ওয়াংখেড়েতে...।
যেখানে ঝকঝকে পোশাক, চকচকে টাকা, গ্যালারীতে ‘ছকছকে’ সুন্দরী ললনা...। শুধু
কি তাই? সেখানে আছে হৃদয়ে শীতল বাতাস বইয়ে দেয়া বলিউডি ললনারাও।
টেম্প্রাম্যান্ট ক্লাস কোন কিছুর প্রয়োজন নেই, শুধু ব্যাট-বল একটু ভালমত
ক্লিক করলেই থাকছে সুবর্ণ সুযোগ, ওই ডানাকাটা পরিদের সামনে রিয়েল হিরো
হওয়ার...। অন্যদিকে ‘নিগ্রীদের’ (নিগ্রোর অপজিট...) মুদ্রাস্ফীতির দেশে খেল
‘বিধবার পোশাকে’, ফাঁকা গ্যালারীতে...। যদিও দু’একজন আছে, মুখ তাদের
অন্ধকার অমাবস্যার নিশা, চুল ‘পাটস্তীর জটকার্য’। টাইগারদের আসলে দোষ দেয়া
যায় না, অবস্থা তাঁদের বড়ই প্রতিকূল...! টেস্ট খেলতে টেম্প্রামেন্ট,
কন্সেন্ট্রেশন আরো মেল্লা কিছু প্রয়োজন... পক্ষান্তরে জিম্বাবুয়ের কোত্থাও
নেই; এতটুকুন অনুপ্রেরণা... ৮০ ওভার টিকে থাকার.........
April 27,2013
April 27,2013
বন্ধুপ্রতিম পাকিস্থান বাংলাদেশের জন্য অঅঅনেক করেছে...
বন্ধুপ্রতিম
পাকিস্থান বাংলাদেশের জন্য অঅঅনেক করেছে। সত্যি বলতে কি প্রকৃত বন্ধু
তাকেই বলা যায়, যে বন্ধু- বন্ধুর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ভাবে। আজ যে বাংলাদেশ
জনসংখ্যা সমস্যায় জর্জরিত এটা কিন্তু পাকিস্থান আজ থেকে ৪২ বছর আগেই অনুভব
করতে পেরেছিল। বাংলাদেশকে জনসংখ্যা বিস্ফোরণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য
’৭১ সালে পাকিস্থান ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নিয়ে অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু
সেই সময়ের বোকা বাংঙ্গালীরা তা একদমই বুঝতে
পারে নি। মুজিব না টুজিপ কি যেন নাম –তাঁর ‘ভূয়া দেশপ্রেমে’ উজ্জিবিত হয়ে
বন্ধু পাকিস্থানীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। ও স্যরি... সবাই
না। সেই সময়টাতেও বাংলাদেশে অনেক ‘সাচ্চা দেশপ্রেমিক’ ছিল আর তাদের দলটার
নাম ছিল জামাতি ইসলামী, যারা জীবন বাজি রেখে বাংলাদেশের জনসংখ্যা কমানোর
মহান দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছিল। কিন্তু আফসোস... মূর্খ
বাংঙ্গালীরা তাঁদের সত্যিকারের বন্ধুদের এখনো চিনতে পারলো না, আজ তাঁরা সেই
‘রাজার আকার’ বন্ধুদের ফাঁসিতে লটকানোর ষড়যন্ত্রে মেতেছে।
’৭১-এর সেই “সাচ্চা দেশপ্রেমিকদের” অনেকেই জান্নাতবাসী হয়েছেন কিন্তু তাতে কী হয়েছে, তাদের উত্তরসূরীরা আবার জেগে উঠেছে... প্রাণপ্রিয় নেতার প্রতি অন্যায়ের প্রতিবাদে তারা নিজেদের জীবন বাজি রাখতেও প্রস্তুত! নোয়াখালীতে সংখ্যালঘুদের উপর জামাতের হামলা, মন্দির ভাঙচুর... অনুসারীদের এহেন মহান কর্মকান্ডের বিবরণ শুনে মহান সাঈদি সাহেবের বুকটা নিশ্চয় গর্বে ভরে উঠছে। তিনি হয়তো খুব খুশি হয়েছেন, কারণ সংখ্যালঘুদের প্রত্যক্ষ মদদে আদালত তার এই ফাঁসির রায় দিয়েছে। বাঁশেরকেল্লা পেজে দেখলাম এডমিন লিখেছে গতকালের দাঙ্গা -হাঙ্গামায় শহীদের সংখ্যা ৭০! শুনে মেজাজটা বড্ড বিগড়ে গেল। কারণ জামাত শান্তিপূর্ন ভাবে দোকানপাট -ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ইটপাটকেল ছোঁডাছুড়ি, গুলি বর্ষণ ইত্যাদি করছিল। সুতরাং এ সময় পুলিশের দায়িত্ব ছিল তাদের উপর গুলি না ছুঁড়ে নিজেদের বন্দুকগুলো তাদের হাতে তুলে দিয়ে তাদের সাহায্য করা, কারণ আমরা সবাই জানি পুলিশ হল পাবলিক সার্ভিস। পাকিস্থান বাংলাদেশের জন্য অনেক করেছে পক্ষান্তরে বাংলাদেশ করেছে শুধুই কৃতঘ্নতা। এতকরে বলার পরও এরা ওদের দেশে খেলতে গেল না। এই মহা কৃতঘ্নতার ফল বাংলাদেশ ক্রিকেট হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। লাস্ট ওডিআই সিরিজেই আমরা দেখেছি বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাতে কীরম নাকানি চুবানি খেলো, বিশেষ করে গেইলের হাতে। আসল কথায় আসি, জামাত ভাইয়েরা, পাকিস্থান বাংলাদেশের অনেক উপকার করেছে কিন্তু প্রতিদানে তারা পেয়েছে/পাচ্ছে শুধুই ধিক্কার আর ধিক্কার। কিন্তু তোমরা পাকিস্থানীদের নিয়ে ভেবো না, তোমরা ভাবো তাদের দোসরদের নিয়ে। God আছেন, পাকিস্থানীরা যে ‘রক্তঋণে’ বাংলাদেশীদের বেঁধেছে সেই ঋণ শোধ করতে গ্রেনেড –ককটেলের রুপ ধরে হরহামেশাই তিনি পাকিস্থানে আবির্ভূত হন, পাকিস্থানের জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানে সহায়ক ভুমিকা পালন করার জন্য। সুতরাং তোমরা রাজপথ ছেড়ো
না, শান্তিপূর্ণভাবে ভাঙচুর, ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি করতে থাকো। কারণ তোমাদের কাঁধে শান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব অর্পিত। তোমাদের দায়িত্ব শুধু শান্তি রক্ষাই নয় শান্তির সংজ্ঞাটাও বদলে দেয়া। So… তৈরি থেকো মহান জামাতবৃন্দ, কারণ সাঈদির প্রোফাইলের চেয়ে আরও বড় প্রোফাইলের লিডার ‘waiting for the অন্যায় judgement’।
— in Dinajpur.
March 2, 2013
’৭১-এর সেই “সাচ্চা দেশপ্রেমিকদের” অনেকেই জান্নাতবাসী হয়েছেন কিন্তু তাতে কী হয়েছে, তাদের উত্তরসূরীরা আবার জেগে উঠেছে... প্রাণপ্রিয় নেতার প্রতি অন্যায়ের প্রতিবাদে তারা নিজেদের জীবন বাজি রাখতেও প্রস্তুত! নোয়াখালীতে সংখ্যালঘুদের উপর জামাতের হামলা, মন্দির ভাঙচুর... অনুসারীদের এহেন মহান কর্মকান্ডের বিবরণ শুনে মহান সাঈদি সাহেবের বুকটা নিশ্চয় গর্বে ভরে উঠছে। তিনি হয়তো খুব খুশি হয়েছেন, কারণ সংখ্যালঘুদের প্রত্যক্ষ মদদে আদালত তার এই ফাঁসির রায় দিয়েছে। বাঁশেরকেল্লা পেজে দেখলাম এডমিন লিখেছে গতকালের দাঙ্গা -হাঙ্গামায় শহীদের সংখ্যা ৭০! শুনে মেজাজটা বড্ড বিগড়ে গেল। কারণ জামাত শান্তিপূর্ন ভাবে দোকানপাট -ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ইটপাটকেল ছোঁডাছুড়ি, গুলি বর্ষণ ইত্যাদি করছিল। সুতরাং এ সময় পুলিশের দায়িত্ব ছিল তাদের উপর গুলি না ছুঁড়ে নিজেদের বন্দুকগুলো তাদের হাতে তুলে দিয়ে তাদের সাহায্য করা, কারণ আমরা সবাই জানি পুলিশ হল পাবলিক সার্ভিস। পাকিস্থান বাংলাদেশের জন্য অনেক করেছে পক্ষান্তরে বাংলাদেশ করেছে শুধুই কৃতঘ্নতা। এতকরে বলার পরও এরা ওদের দেশে খেলতে গেল না। এই মহা কৃতঘ্নতার ফল বাংলাদেশ ক্রিকেট হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। লাস্ট ওডিআই সিরিজেই আমরা দেখেছি বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাতে কীরম নাকানি চুবানি খেলো, বিশেষ করে গেইলের হাতে। আসল কথায় আসি, জামাত ভাইয়েরা, পাকিস্থান বাংলাদেশের অনেক উপকার করেছে কিন্তু প্রতিদানে তারা পেয়েছে/পাচ্ছে শুধুই ধিক্কার আর ধিক্কার। কিন্তু তোমরা পাকিস্থানীদের নিয়ে ভেবো না, তোমরা ভাবো তাদের দোসরদের নিয়ে। God আছেন, পাকিস্থানীরা যে ‘রক্তঋণে’ বাংলাদেশীদের বেঁধেছে সেই ঋণ শোধ করতে গ্রেনেড –ককটেলের রুপ ধরে হরহামেশাই তিনি পাকিস্থানে আবির্ভূত হন, পাকিস্থানের জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানে সহায়ক ভুমিকা পালন করার জন্য। সুতরাং তোমরা রাজপথ ছেড়ো
না, শান্তিপূর্ণভাবে ভাঙচুর, ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি করতে থাকো। কারণ তোমাদের কাঁধে শান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব অর্পিত। তোমাদের দায়িত্ব শুধু শান্তি রক্ষাই নয় শান্তির সংজ্ঞাটাও বদলে দেয়া। So… তৈরি থেকো মহান জামাতবৃন্দ, কারণ সাঈদির প্রোফাইলের চেয়ে আরও বড় প্রোফাইলের লিডার ‘waiting for the অন্যায় judgement’।
— in Dinajpur.
March 2, 2013
ক’দিন আগেও ভাবতাম...
ক’দিন
আগেও ভাবতাম, সামনের নির্বাচনে ‘না ভোটের অপশন’ না থাকলে নিজের ভোটাধিকার
আমি নিজেই খর্ব করবো! সরকারের দুর্নীতি/অনিয়মে মহাবিরক্ত এই আমি ‘দূরবীন
দিয়ে দেখেও’ এমন কারো দেখা পাচ্ছিলাম না যাদের ভোট দেয়া যায়। কিন্তু সেদিন
ইন্টার্নেটে (bbc.co.uk/bengali/) বেগম খালেদা জিয়ার ‘statement’ শুনে বোল
পাল্টাতে বাধ্য হলাম। তাঁর কথা শুনে আমার হাত নিশপিশ করছে, ধানের শীষে ভোট
দেয়ার জন্য...। তাঁর কথা শুনে আমি তাঁর fan বনে গেছি, ভাবছি তাঁর নামে facebook-এ একটা fan page খুলবো। কী নাম দেয়া যায়? “Khaleda Zia lovers” কেমন হবে?
“আমাদের এই দেশে আবার চলছে পৈচাশিক গণহত্যা। পাখির মত গুলি করে মানুষ হত্যা চলছে। গণহত্যার পৈচাশিক তাণ্ডবে মেতে উঠেছে সরকার। কোন একটি সরকার নিজের দেশের নাগরিকদের উপর এমন গণহত্যা চালাতে পারে তা আমাদের কল্পনারো অতীত।”
বেগম জিয়া সঠিক কথাই বলেছেন, পুলিশ সদস্যরা “পৈচাশিক গণহত্যায়” মেতে উঠেছে। কারণ পুলিশ সদস্যরা জামাত -শিবিরের শান্তিপূর্ণ মিছিলে গুলি বর্ষণ করেছে। জামাত –শিবির ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের মত হীন কাজ মোটেও করে নি, করতে পারে না।
(লোহাগাড়ার আমিরাবাদে ১৯ পুলিশ সদস্যকে পুড়িয়ে মারতে অবরুদ্ধ করে আগুন দেয়া, বগুড়ায় পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, ধূমকেতু এক্সপ্রেসের বগিতে আগুন, নোয়াখালি-বাগেরহাটে সংখ্যা লঘুদের উপর হামলা- এগুলো সব মিডিয়ার সৃষ্টি।)
এমতাবস্থায় বিএনপি, দেশের দায়িত্বশীল সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে নীরব দর্শক হয়ে বসে থাকতে পারে না। তাদের উচিৎ, জামাত- শিবিরের স্বউদ্ভাবিত “শান্তির মিছিলে” যোগ দিয়ে শান্তির সংজ্ঞাটা বদলে দিতে তাদের সহায়তা করা।
বেগম জিয়া এগিয়ে যাও, জনগণ আছে তোমার সাথে...... কারণ জনগণ সব বুঝে, তারাও প্রোটিন -কার্বোহাইড্রেট খায়। — in Dinajpur.
মার্চ ৩, ২০১৩
“আমাদের এই দেশে আবার চলছে পৈচাশিক গণহত্যা। পাখির মত গুলি করে মানুষ হত্যা চলছে। গণহত্যার পৈচাশিক তাণ্ডবে মেতে উঠেছে সরকার। কোন একটি সরকার নিজের দেশের নাগরিকদের উপর এমন গণহত্যা চালাতে পারে তা আমাদের কল্পনারো অতীত।”
বেগম জিয়া সঠিক কথাই বলেছেন, পুলিশ সদস্যরা “পৈচাশিক গণহত্যায়” মেতে উঠেছে। কারণ পুলিশ সদস্যরা জামাত -শিবিরের শান্তিপূর্ণ মিছিলে গুলি বর্ষণ করেছে। জামাত –শিবির ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের মত হীন কাজ মোটেও করে নি, করতে পারে না।
(লোহাগাড়ার আমিরাবাদে ১৯ পুলিশ সদস্যকে পুড়িয়ে মারতে অবরুদ্ধ করে আগুন দেয়া, বগুড়ায় পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, ধূমকেতু এক্সপ্রেসের বগিতে আগুন, নোয়াখালি-বাগেরহাটে সংখ্যা লঘুদের উপর হামলা- এগুলো সব মিডিয়ার সৃষ্টি।)
এমতাবস্থায় বিএনপি, দেশের দায়িত্বশীল সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে নীরব দর্শক হয়ে বসে থাকতে পারে না। তাদের উচিৎ, জামাত- শিবিরের স্বউদ্ভাবিত “শান্তির মিছিলে” যোগ দিয়ে শান্তির সংজ্ঞাটা বদলে দিতে তাদের সহায়তা করা।
বেগম জিয়া এগিয়ে যাও, জনগণ আছে তোমার সাথে...... কারণ জনগণ সব বুঝে, তারাও প্রোটিন -কার্বোহাইড্রেট খায়। — in Dinajpur.
মার্চ ৩, ২০১৩
সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা...
দিনাজপুর
সদর উপজেলার রানীগঞ্জ উত্তর মহেশপুর গ্রামে ১২টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের
কৃষক পরিবারের বাড়ি ও খড়ের গাদা আগুন দিয়ে পুড়িয়েদেওয়া হয়েছে বলে
খবর পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত
পরিবারগুলোর অভিযোগ, জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা তাঁদের গ্রামে আগুন
লাগিয়েছেন।
আজ রোববার বেলা ১১টার সময় সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বাড়িঘরের আগুন নিভলেও তখনো খড়ের গাদা জ্বলছিল। ঘরের চালার খড়,বাঁশ, টিন, কাঠ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে বাস করছেন। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তহয়েছেন বলে জানিয়েছেন মানিক বসাক, সুদেব বসাক, নিশীথ বসাক, রচিত বসাক, সুরেশ বসাক, সুবল বসাক, সুদীব বসাক, মৃণাল বসাকেরপরিবার। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মানিক বসাক প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, রাত ১২টার পরে গ্রামের সব কৃষক ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় আগুন লাগানো হয়। এলাকাবাসীর চিত্কারে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যান।
ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরেক কৃষক নিশীথ বসাক জানান, চাঁদের আলো আর আগুনের শিখায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০জন সন্ত্রাসীকে দেখা যায়। তারা যেসব হুমকি ও অশ্লীল গালি দিচ্ছিল, তা থেকে বোঝা যায় যে তাঁরা জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মী।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের জিলানীজানান, রাত একটার দিকে দিনাজপুর থেকে দমকল বাহিনীর দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়। কিন্তু তার আগেই বেশির ভাগ খড়ের গাদা ও বাড়ির চাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে তিনি জানান।
March 4, 2013
আজ রোববার বেলা ১১টার সময় সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বাড়িঘরের আগুন নিভলেও তখনো খড়ের গাদা জ্বলছিল। ঘরের চালার খড়,বাঁশ, টিন, কাঠ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে বাস করছেন। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তহয়েছেন বলে জানিয়েছেন মানিক বসাক, সুদেব বসাক, নিশীথ বসাক, রচিত বসাক, সুরেশ বসাক, সুবল বসাক, সুদীব বসাক, মৃণাল বসাকেরপরিবার। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মানিক বসাক প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, রাত ১২টার পরে গ্রামের সব কৃষক ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় আগুন লাগানো হয়। এলাকাবাসীর চিত্কারে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যান।
ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরেক কৃষক নিশীথ বসাক জানান, চাঁদের আলো আর আগুনের শিখায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০জন সন্ত্রাসীকে দেখা যায়। তারা যেসব হুমকি ও অশ্লীল গালি দিচ্ছিল, তা থেকে বোঝা যায় যে তাঁরা জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মী।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের জিলানীজানান, রাত একটার দিকে দিনাজপুর থেকে দমকল বাহিনীর দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়। কিন্তু তার আগেই বেশির ভাগ খড়ের গাদা ও বাড়ির চাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে তিনি জানান।
March 4, 2013
রাজনীতি নিয়ে আমি আর কোন পোষ্ট দেবো না..
রাজনীতি
নিয়ে আমি আর কোন পোষ্ট দেবো না, এর জন্য অনেকের সাথে সম্পর্ক খারাপ হয়ে
যাচ্ছে। অবস্থা এমন... আমি যদি 'লীগের খারাপ দিক তুলে ধরি তখন সবাই বলে আমি
বিএনপি পন্থী, বিএনপির সমালোচনা করতে গেলে বলে শালা 'লীগ ভক্ত! আমি সত্যের
ভক্ত এবং সবসময় সত্যই অনুসন্ধানের চেষ্টা করি এটা ওদের কীভাবে বোঝাব?
ভাবছি রাজনৈতিক কথাবার্তা থেকে নিজেকে অনেক দূরে রাখবো, নিজের opinion আমি
নিজের কাছেই রাখবো -কারণ আমাদের দেশের রাজনীতিটা
just গু -এর মত, আর গু -অলা জায়গা পরিত্যাগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
রাজনীতি নিয়ে বাকবিতন্ডাকে আমার কাছে just গু কত দুর্গন্ধময় বোঝার জন্য গু
নিয়ে ঘাটাঘাটির করার মত মনে হচ্ছে। গু দুর্গন্ধময় এটা আমি জানি, কত
দুর্গন্ধময় এটা জানার কোন ইচ্ছা আমার নেই। ওটা সেইরকম কুত্তাদের জন্যই থাক
ওটা যাদের অন্যতম প্রধান খাবার।
[যাঁরা 'সত্যিকারের গণতন্ত্রময়' রাজনীতি চর্চা করেন, I don't tag them with my words] — with Arif Reza and 4 others in Dinajpur.
March 4, 2013
[যাঁরা 'সত্যিকারের গণতন্ত্রময়' রাজনীতি চর্চা করেন, I don't tag them with my words] — with Arif Reza and 4 others in Dinajpur.
March 4, 2013
Where is he?
রামায়ন,
মহাভারত কিংবা গীতা নয় -"সকল সৃষ্টিরই স্রষ্টা আছে" লাইনটার প্রতি অগাধ
বিশ্বাসই আমাকে 'নাস্তিকতাবাদ' থেকে দূরে রেখেছে। কিন্তু তবুও চারপাশে
তাকিয়ে মাঝে মধ্যে কেমন যেন বিশ্বাস হতে চাইত না যে, সত্যিই ঈশ্বর বলে কেউ
আছেন?
কারো সাথে অনৈতিক আচরণ করলে 'ব্লক খাওয়া', 'ভালত্ব' কিংবা বিশেষত্ব জাহির করতে পারলে অসংখ্য ফলোয়ার পাওয়া... ফেসবুকের এই ব্যাপার_স্যাপার গুলো আমার কেমন যেন "যেমন কর্ম তেমন ফল" এর মত মনে হয়... {এই কাজগুলো করার জন্য 'ফেসবুক ঈশ্বর' (Jukerburg) কম্পিউটারের সামনে মুখ গুঁজে বসে থাকে না।}
"অন্যকে খালে ফেললে নিজেও একদিন খালে পড়বে" - ঈশ্বরও হয়তো ফেসবুক টাইপ এরম কোন 'প্রোগ্রাম' পৃথিবীতে রেখে পৃথিবী থেকে অনেক দূরে চলে গেছেন, "সব তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি, আর তোমাদের ডাকে আর সাড়া দেব না" টাইপ অভিমান নিয়ে...। নোয়াখালী কিংবা দিনাজপুরের 'অগ্নিদগ্ধ নিরাপরাধীরা' হয়তো তাঁর সেইরম কোন অভিমানের শিকার.......।
("ঈশ্বর আমাদের পরীক্ষা নিচ্ছেন" টাইপ কেতাবী কথাগুলোতে আমি আস্থা হারিয়ে ফেলেছি)
March 5, 2013
কারো সাথে অনৈতিক আচরণ করলে 'ব্লক খাওয়া', 'ভালত্ব' কিংবা বিশেষত্ব জাহির করতে পারলে অসংখ্য ফলোয়ার পাওয়া... ফেসবুকের এই ব্যাপার_স্যাপার গুলো আমার কেমন যেন "যেমন কর্ম তেমন ফল" এর মত মনে হয়... {এই কাজগুলো করার জন্য 'ফেসবুক ঈশ্বর' (Jukerburg) কম্পিউটারের সামনে মুখ গুঁজে বসে থাকে না।}
"অন্যকে খালে ফেললে নিজেও একদিন খালে পড়বে" - ঈশ্বরও হয়তো ফেসবুক টাইপ এরম কোন 'প্রোগ্রাম' পৃথিবীতে রেখে পৃথিবী থেকে অনেক দূরে চলে গেছেন, "সব তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি, আর তোমাদের ডাকে আর সাড়া দেব না" টাইপ অভিমান নিয়ে...। নোয়াখালী কিংবা দিনাজপুরের 'অগ্নিদগ্ধ নিরাপরাধীরা' হয়তো তাঁর সেইরম কোন অভিমানের শিকার.......।
("ঈশ্বর আমাদের পরীক্ষা নিচ্ছেন" টাইপ কেতাবী কথাগুলোতে আমি আস্থা হারিয়ে ফেলেছি)
March 5, 2013
ভুল বুঝ না প্লিজ...
আমি তোমাকে ভুলি নি এর মানে শুধু এই নয় যে, তুমি আমার জীবনে বিশেষ কিছু... এর অন্য কারণও থাকতে পারে...
আমি তোমাকে ভুলি নি তোমার কথা আমার মনে আছে কারণ আমার স্মৃতিশক্তি খুব ভালো
March 22, 2013
আমি তোমাকে ভুলি নি তোমার কথা আমার মনে আছে কারণ আমার স্মৃতিশক্তি খুব ভালো
March 22, 2013
"জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অনুভূতি কোনগুলো?"
তোমার
আশেপাশে অনেক মানুষ কিন্তু তুমি খুব ভালোভাবে অনুভব করতে পারছো যে, তুমি
ভালো নেই এটা কেউ বিশ্বাস করে না, বিশ্বাস করতেও চায় না। কারণ তারা সবাই
তোমার মত জীবন পাওয়ার স্বপ্নে বিভোর...!
হয়তো সবার সাথে মিলবে না কিন্তু আমি এই কথাগুলোই বলবো যদি আমায় কেউ জিজ্ঞেস করে, "জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অনুভূতি কোনগুলো?"
March 26, 2013
হয়তো সবার সাথে মিলবে না কিন্তু আমি এই কথাগুলোই বলবো যদি আমায় কেউ জিজ্ঞেস করে, "জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অনুভূতি কোনগুলো?"
March 26, 2013
নাসিকা তত্ত্ব
উন্নত
নাসিকা সুন্দর মুখশ্রীর অন্যতম প্রধান কারণ। কি বুদ্ধিতে, কি সৌন্দর্যে...
পশ্চিমের শুক্লকেশীরা মানুষ হিসেবে সর্বোত্কৃষ্ট। তাদের নাকগুলোও মহা তীক্ষ্ণ! অন্যদিকে আমাদের নাকগুলো বোচা -থ্যাবড়া কেন বলুন তো? এই স্টুপিড
এর একটা কারণ উদঘাটন করে ফেলেছে! পরচর্চা বিষয়টা আমাদের 'জাতিয়'
ব্যপার। যে জাতি সবসময় অন্যের বিষয়ে 'নাক গলাতে' ব্যস্ত থাকে, তাদের নাসিকা
কীভাবে উন্নত হবে? পশ্চিমারা অন্যের ব্যপারে নাক না গলিয়ে সবসময় নিজেদের
চড়কায় তেল ঢালে বলেই মনেহয় তারা এত উন্নত। কে জানে, এই 'নিজের চড়কায় তেল
ঢালা' ব্যপারটিই মনেহয় পশ্চিমা সুন্দরীদের সুন্দর সুডৌল চড়কার অন্যতম
প্রধান কারণ।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)




























