35370000….. না এটা কোন টেলিফোন নাম্বার নয়। আমাদের টাইগারদের শেষ আট জনের দৌড়ের (পড়ুন রানের) হিসাব।
শ্রীলংকার সাথে খেলে দেখিয়ে দিয়েছেন... টেস্টে তাঁরা কত্তো উন্নতি করেছেন৷
উন্নতির জোয়ারে তিনারা কতদূর ভেসে গেছেন জিম্বাবুয়েতে গিয়ে সেটা দেখিয়ে
দিতে চেয়েছিলেন। কাল এক উইকেটে ৯৫ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করে আজ ১৩৪ তেই
সব শেষ!!!
তাঁদের একেকজনের রানগুলো টেলিফোন নাম্বারের ডিজিটের মত দেখতে... উন্নতি কি সেইখানেই?
এ মুহূর্তে একটা প্রশ্নই মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে...
শ্রীলংকার সাথে ম্যাচগুলোয় বাংলাদেশের ওরম ফলাফলের কারণ কী? আজকের খেলা
দেখে মনে হচ্ছে সেই ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশ ভালো খেলে নি...। সেই ম্যাচ
গুলোতে বাংলাদেশ ভালো করেছিল শ্রীলংকা খারাপ খেলেছিল বলে...।
আমি কাউকে ব্লেম করতে চাই না। আমাদের সদ্য কৈশোর পার করা টাইগারবৃন্দের হয়তো খুব বেশী সামর্থ্য নেই; এর চেয়ে ভাল খেলার...।
আমাদের টাইগারদের বয়েস কম, যখন তারা যুবক হবে উঠবে তখন ঠিকই বড় বড় শিকার ঘায়েল করতে পারবে।
ছোট থেকে বড় হওয়ার জন্য শুধু ওই একটা জিনিসই প্রয়োজন, সময়।
We are waiting Tigers... grow up quickly... — in Dinajpur.
বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৩
Sorry শব্দটার অর্থ সবাই জানো কিন্তু এর উদ্ভাবকের ব্যাপারে কেউ কিছু জানো?
Sorry
শব্দটার অর্থ সবাই জানো কিন্তু এর উদ্ভাবকের ব্যাপারে কেউ কিছু জানো? অনেক
শব্দই আছে যেগুলো নাকি ‘ইন্ডিভিজুয়াল উদ্ভাবক’ দ্বারা উদ্ভাবিত... [ যেমন:
‘ব্যাগ এন্ড ব্যাগেজ’ শব্দটা উদ্ভাবন করেছেন উইলিয়াম সেক্সপিয়ার...]
কে জানে এই ‘sorry’ও নিশ্চয় কোন ‘ইন্ডিভিজুয়াল স্রষ্টা’ দ্বারা সৃষ্ট?
শান্তি প্রতিষ্ঠাকারীদের জন্য পৃথিবীতে নানা রকম পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে... যেমন : নোবেল পুরস্কার, ম্যাগসেসে পুরস্কার, সিউল শান্তি পুরস্কার...।
টলস্টয়কে সাহিত্যে এবং গান্ধিকে শান্তিতে পুরস্কৃত করতে না পারার জন্য নোবেল কমিটি নাকি এখনও হা-হুতাশ করে। কারণ তাঁরা দু’জনই স্ব-স্ব ক্ষেত্রে ‘এক শব্দে শ্রেষ্ঠ’।
সেটা হয়তো তাঁদের মাথাতেই আসে না- আসলে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির দুঃখ নিশ্চয় বহুগুনে বেড়ে যেত... ‘Sorry শব্দটার উদ্ভাবককে’ পুরস্কৃত করতে না পারার দুঃখে...।
পৃথিবীতে বহুজন বহুরকম ভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন/যাচ্ছেন... কিন্তু এই ‘Sorry’ শব্দটার কাছে তাঁরা সবাই ম্লান...।
পাঁচ অক্ষরের এই শব্দটা পৃথিবীতে নীরবে- নিভৃতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে গেছে/যাচ্ছে। অপরাধ যতই বড় হোক, ‘Sorry’ তেই যেন মুক্তি...।
মরণোত্তর নোবেল দেয়ার কথা অলফ্রেড নোবেল বলে জান নি, বললে ‘Sorry’ র জনক খুব সহজেই নোবেল পেয়ে যেতেন। তাঁকে খোঁজার জন্য তো আছেনই... প্রত্নতত্ব বিভাগের মহাপণ্ডিতরা।
হেমায়েতপুরের কাছে কার বাড়ি? ওখানে আমার জন্য কেউ বুকিং দিয়ে আসতে পারবে...? মাথা আমার খারাপ হয়ে যাচ্ছে, আশেপাশে কাগজ থাকলে এতক্ষনে কুঁড়াতে শুরু করে দিতাম!
আর কতক্ষণ থাকি তাঁর ফোনের অপেক্ষায়......?????? — in Dinajpur.
কে জানে এই ‘sorry’ও নিশ্চয় কোন ‘ইন্ডিভিজুয়াল স্রষ্টা’ দ্বারা সৃষ্ট?
শান্তি প্রতিষ্ঠাকারীদের জন্য পৃথিবীতে নানা রকম পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে... যেমন : নোবেল পুরস্কার, ম্যাগসেসে পুরস্কার, সিউল শান্তি পুরস্কার...।
টলস্টয়কে সাহিত্যে এবং গান্ধিকে শান্তিতে পুরস্কৃত করতে না পারার জন্য নোবেল কমিটি নাকি এখনও হা-হুতাশ করে। কারণ তাঁরা দু’জনই স্ব-স্ব ক্ষেত্রে ‘এক শব্দে শ্রেষ্ঠ’।
সেটা হয়তো তাঁদের মাথাতেই আসে না- আসলে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির দুঃখ নিশ্চয় বহুগুনে বেড়ে যেত... ‘Sorry শব্দটার উদ্ভাবককে’ পুরস্কৃত করতে না পারার দুঃখে...।
পৃথিবীতে বহুজন বহুরকম ভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন/যাচ্ছেন... কিন্তু এই ‘Sorry’ শব্দটার কাছে তাঁরা সবাই ম্লান...।
পাঁচ অক্ষরের এই শব্দটা পৃথিবীতে নীরবে- নিভৃতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে গেছে/যাচ্ছে। অপরাধ যতই বড় হোক, ‘Sorry’ তেই যেন মুক্তি...।
মরণোত্তর নোবেল দেয়ার কথা অলফ্রেড নোবেল বলে জান নি, বললে ‘Sorry’ র জনক খুব সহজেই নোবেল পেয়ে যেতেন। তাঁকে খোঁজার জন্য তো আছেনই... প্রত্নতত্ব বিভাগের মহাপণ্ডিতরা।
হেমায়েতপুরের কাছে কার বাড়ি? ওখানে আমার জন্য কেউ বুকিং দিয়ে আসতে পারবে...? মাথা আমার খারাপ হয়ে যাচ্ছে, আশেপাশে কাগজ থাকলে এতক্ষনে কুঁড়াতে শুরু করে দিতাম!
আর কতক্ষণ থাকি তাঁর ফোনের অপেক্ষায়......?????? — in Dinajpur.
কয়েকটা T-shirt নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম বলতে পারবেন কেউ?
কয়েকটা
T-shirt নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম বলতে পারবেন কেউ? আমার কয়েকটা “আমি ভাল
আছি- খুব ভালো” টাইপ লেখাঅলা T-shirt প্রয়োজন! আমার দেয়ালে পিট ঠেকে গেছে,
‘ভালো আছি’ প্রমাণের জন্য সেরম লেখাঅলা T-shirt পড়ে ঘুরে বেড়ানো ছাড়া আমি
আর কোন পথ খুঁজে পাচ্ছি না।
এ মুহূর্তে বসে বসে বাবার অন্য ধংস করছি সত্য, কিন্তু সারাজীবন ধরেই করবো এটা তাঁদের কে বলল?
চারপাশ থেকে নানা রকম পরামর্শ : “এটা কর, ওটা কর- এখনি কর”!
চাকরী, বিয়ে, ফুটফুটে একটা বউ যোগার- এ’কটা বিষয়ের মধ্যেই যেন সীমাবদ্ধ -সমস্ত “করাগুলো”...।
পরামর্শদাতাদের মধ্যে কিছু দার্শনিকও (স্বঘোষিত) আছে, যাদের জীবনবোধ শুনে জীবন ওষ্ঠাগত... “প্রদীপ যে জীবন তুমি যাপন করছ সেটা কিন্তু জীবন নয়, জীবন হল ওটা, যখন...”
[ওদের কাছে জীবনের সংজ্ঞা হল : নিয়মিত বান্ধবী বদলানো, আর উদাহরণ হল : ঘন্টায় ১৫০ কিঃ মিঃ বেগে ছুটতে পারে এমন কিছু একটার উপর চড়ে দাপিয়ে বেড়ানো!]
আমি কিছু একটা করবো, অবশ্যই করবো। আমার just অত তাড়া নেই। কারণ আমি এখনো সেরম কোন রূপসী ললনার প্রেমে পড়ি নি যার বাবা “এক মাসের মধ্যে কিছু করতে না পারলে মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেব” বলে হুমকি দিয়ে রেখেছেন।
পরিশিষ্ট : পড়েছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীটে (Harvard University), পড়ায় (পড়িয়েছে) যুক্তরাস্ট্রের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটিতে (Princeton University) এবং ৪০ পার হয়ে গেছে... কিন্তু Bill এখনো ব্যাচেলর! Why, he has told me about that....
এ মুহূর্তে বসে বসে বাবার অন্য ধংস করছি সত্য, কিন্তু সারাজীবন ধরেই করবো এটা তাঁদের কে বলল?
চারপাশ থেকে নানা রকম পরামর্শ : “এটা কর, ওটা কর- এখনি কর”!
চাকরী, বিয়ে, ফুটফুটে একটা বউ যোগার- এ’কটা বিষয়ের মধ্যেই যেন সীমাবদ্ধ -সমস্ত “করাগুলো”...।
পরামর্শদাতাদের মধ্যে কিছু দার্শনিকও (স্বঘোষিত) আছে, যাদের জীবনবোধ শুনে জীবন ওষ্ঠাগত... “প্রদীপ যে জীবন তুমি যাপন করছ সেটা কিন্তু জীবন নয়, জীবন হল ওটা, যখন...”
[ওদের কাছে জীবনের সংজ্ঞা হল : নিয়মিত বান্ধবী বদলানো, আর উদাহরণ হল : ঘন্টায় ১৫০ কিঃ মিঃ বেগে ছুটতে পারে এমন কিছু একটার উপর চড়ে দাপিয়ে বেড়ানো!]
আমি কিছু একটা করবো, অবশ্যই করবো। আমার just অত তাড়া নেই। কারণ আমি এখনো সেরম কোন রূপসী ললনার প্রেমে পড়ি নি যার বাবা “এক মাসের মধ্যে কিছু করতে না পারলে মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেব” বলে হুমকি দিয়ে রেখেছেন।
পরিশিষ্ট : পড়েছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীটে (Harvard University), পড়ায় (পড়িয়েছে) যুক্তরাস্ট্রের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটিতে (Princeton University) এবং ৪০ পার হয়ে গেছে... কিন্তু Bill এখনো ব্যাচেলর! Why, he has told me about that....
৬৫ -তেই ঝরে গেলো 'তাজা চারটি প্রাণ'!
৬৫
-তেই ঝরে গেলো 'তাজা চারটি প্রাণ'! ১০৯ রানের লীডটা কোন কাজে আসবে?
চিগুম্বুরাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের টানা ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণ আবিস্কার
করে ফেলেছি...। তিনারা রাবণের দেশে গিয়ে মালিঙ্গাদের বিরুদ্ধে
সেঞ্চুরী/ডাবল সেঞ্চুরী ঠুকে দিয়েছেন, জার্ভিস-ক্রেমাররা কী এমন আগুনগোলা
ছুড়ছে যে তাদের সামনে ইনারা বারবার মুখ থুবড়ে পরছেন!!? কারণটা বড়ই করুন...!
তাঁরা ঠুকুস-ঠুকুস টেস্ট খেলছেন ‘হারারে স্পোর্টস ক্লাব’ মাঠে
কিন্তু তাঁদের মন পড়ে আছে ইডেন গার্ডেনস, চিন্নাস্বামী, ওয়াংখেড়েতে...।
যেখানে ঝকঝকে পোশাক, চকচকে টাকা, গ্যালারীতে ‘ছকছকে’ সুন্দরী ললনা...। শুধু
কি তাই? সেখানে আছে হৃদয়ে শীতল বাতাস বইয়ে দেয়া বলিউডি ললনারাও।
টেম্প্রাম্যান্ট ক্লাস কোন কিছুর প্রয়োজন নেই, শুধু ব্যাট-বল একটু ভালমত
ক্লিক করলেই থাকছে সুবর্ণ সুযোগ, ওই ডানাকাটা পরিদের সামনে রিয়েল হিরো
হওয়ার...। অন্যদিকে ‘নিগ্রীদের’ (নিগ্রোর অপজিট...) মুদ্রাস্ফীতির দেশে খেল
‘বিধবার পোশাকে’, ফাঁকা গ্যালারীতে...। যদিও দু’একজন আছে, মুখ তাদের
অন্ধকার অমাবস্যার নিশা, চুল ‘পাটস্তীর জটকার্য’। টাইগারদের আসলে দোষ দেয়া
যায় না, অবস্থা তাঁদের বড়ই প্রতিকূল...! টেস্ট খেলতে টেম্প্রামেন্ট,
কন্সেন্ট্রেশন আরো মেল্লা কিছু প্রয়োজন... পক্ষান্তরে জিম্বাবুয়ের কোত্থাও
নেই; এতটুকুন অনুপ্রেরণা... ৮০ ওভার টিকে থাকার.........
April 27,2013
April 27,2013
বন্ধুপ্রতিম পাকিস্থান বাংলাদেশের জন্য অঅঅনেক করেছে...
বন্ধুপ্রতিম
পাকিস্থান বাংলাদেশের জন্য অঅঅনেক করেছে। সত্যি বলতে কি প্রকৃত বন্ধু
তাকেই বলা যায়, যে বন্ধু- বন্ধুর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ভাবে। আজ যে বাংলাদেশ
জনসংখ্যা সমস্যায় জর্জরিত এটা কিন্তু পাকিস্থান আজ থেকে ৪২ বছর আগেই অনুভব
করতে পেরেছিল। বাংলাদেশকে জনসংখ্যা বিস্ফোরণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য
’৭১ সালে পাকিস্থান ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নিয়ে অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু
সেই সময়ের বোকা বাংঙ্গালীরা তা একদমই বুঝতে
পারে নি। মুজিব না টুজিপ কি যেন নাম –তাঁর ‘ভূয়া দেশপ্রেমে’ উজ্জিবিত হয়ে
বন্ধু পাকিস্থানীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। ও স্যরি... সবাই
না। সেই সময়টাতেও বাংলাদেশে অনেক ‘সাচ্চা দেশপ্রেমিক’ ছিল আর তাদের দলটার
নাম ছিল জামাতি ইসলামী, যারা জীবন বাজি রেখে বাংলাদেশের জনসংখ্যা কমানোর
মহান দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছিল। কিন্তু আফসোস... মূর্খ
বাংঙ্গালীরা তাঁদের সত্যিকারের বন্ধুদের এখনো চিনতে পারলো না, আজ তাঁরা সেই
‘রাজার আকার’ বন্ধুদের ফাঁসিতে লটকানোর ষড়যন্ত্রে মেতেছে।
’৭১-এর সেই “সাচ্চা দেশপ্রেমিকদের” অনেকেই জান্নাতবাসী হয়েছেন কিন্তু তাতে কী হয়েছে, তাদের উত্তরসূরীরা আবার জেগে উঠেছে... প্রাণপ্রিয় নেতার প্রতি অন্যায়ের প্রতিবাদে তারা নিজেদের জীবন বাজি রাখতেও প্রস্তুত! নোয়াখালীতে সংখ্যালঘুদের উপর জামাতের হামলা, মন্দির ভাঙচুর... অনুসারীদের এহেন মহান কর্মকান্ডের বিবরণ শুনে মহান সাঈদি সাহেবের বুকটা নিশ্চয় গর্বে ভরে উঠছে। তিনি হয়তো খুব খুশি হয়েছেন, কারণ সংখ্যালঘুদের প্রত্যক্ষ মদদে আদালত তার এই ফাঁসির রায় দিয়েছে। বাঁশেরকেল্লা পেজে দেখলাম এডমিন লিখেছে গতকালের দাঙ্গা -হাঙ্গামায় শহীদের সংখ্যা ৭০! শুনে মেজাজটা বড্ড বিগড়ে গেল। কারণ জামাত শান্তিপূর্ন ভাবে দোকানপাট -ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ইটপাটকেল ছোঁডাছুড়ি, গুলি বর্ষণ ইত্যাদি করছিল। সুতরাং এ সময় পুলিশের দায়িত্ব ছিল তাদের উপর গুলি না ছুঁড়ে নিজেদের বন্দুকগুলো তাদের হাতে তুলে দিয়ে তাদের সাহায্য করা, কারণ আমরা সবাই জানি পুলিশ হল পাবলিক সার্ভিস। পাকিস্থান বাংলাদেশের জন্য অনেক করেছে পক্ষান্তরে বাংলাদেশ করেছে শুধুই কৃতঘ্নতা। এতকরে বলার পরও এরা ওদের দেশে খেলতে গেল না। এই মহা কৃতঘ্নতার ফল বাংলাদেশ ক্রিকেট হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। লাস্ট ওডিআই সিরিজেই আমরা দেখেছি বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাতে কীরম নাকানি চুবানি খেলো, বিশেষ করে গেইলের হাতে। আসল কথায় আসি, জামাত ভাইয়েরা, পাকিস্থান বাংলাদেশের অনেক উপকার করেছে কিন্তু প্রতিদানে তারা পেয়েছে/পাচ্ছে শুধুই ধিক্কার আর ধিক্কার। কিন্তু তোমরা পাকিস্থানীদের নিয়ে ভেবো না, তোমরা ভাবো তাদের দোসরদের নিয়ে। God আছেন, পাকিস্থানীরা যে ‘রক্তঋণে’ বাংলাদেশীদের বেঁধেছে সেই ঋণ শোধ করতে গ্রেনেড –ককটেলের রুপ ধরে হরহামেশাই তিনি পাকিস্থানে আবির্ভূত হন, পাকিস্থানের জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানে সহায়ক ভুমিকা পালন করার জন্য। সুতরাং তোমরা রাজপথ ছেড়ো
না, শান্তিপূর্ণভাবে ভাঙচুর, ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি করতে থাকো। কারণ তোমাদের কাঁধে শান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব অর্পিত। তোমাদের দায়িত্ব শুধু শান্তি রক্ষাই নয় শান্তির সংজ্ঞাটাও বদলে দেয়া। So… তৈরি থেকো মহান জামাতবৃন্দ, কারণ সাঈদির প্রোফাইলের চেয়ে আরও বড় প্রোফাইলের লিডার ‘waiting for the অন্যায় judgement’।
— in Dinajpur.
March 2, 2013
’৭১-এর সেই “সাচ্চা দেশপ্রেমিকদের” অনেকেই জান্নাতবাসী হয়েছেন কিন্তু তাতে কী হয়েছে, তাদের উত্তরসূরীরা আবার জেগে উঠেছে... প্রাণপ্রিয় নেতার প্রতি অন্যায়ের প্রতিবাদে তারা নিজেদের জীবন বাজি রাখতেও প্রস্তুত! নোয়াখালীতে সংখ্যালঘুদের উপর জামাতের হামলা, মন্দির ভাঙচুর... অনুসারীদের এহেন মহান কর্মকান্ডের বিবরণ শুনে মহান সাঈদি সাহেবের বুকটা নিশ্চয় গর্বে ভরে উঠছে। তিনি হয়তো খুব খুশি হয়েছেন, কারণ সংখ্যালঘুদের প্রত্যক্ষ মদদে আদালত তার এই ফাঁসির রায় দিয়েছে। বাঁশেরকেল্লা পেজে দেখলাম এডমিন লিখেছে গতকালের দাঙ্গা -হাঙ্গামায় শহীদের সংখ্যা ৭০! শুনে মেজাজটা বড্ড বিগড়ে গেল। কারণ জামাত শান্তিপূর্ন ভাবে দোকানপাট -ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ইটপাটকেল ছোঁডাছুড়ি, গুলি বর্ষণ ইত্যাদি করছিল। সুতরাং এ সময় পুলিশের দায়িত্ব ছিল তাদের উপর গুলি না ছুঁড়ে নিজেদের বন্দুকগুলো তাদের হাতে তুলে দিয়ে তাদের সাহায্য করা, কারণ আমরা সবাই জানি পুলিশ হল পাবলিক সার্ভিস। পাকিস্থান বাংলাদেশের জন্য অনেক করেছে পক্ষান্তরে বাংলাদেশ করেছে শুধুই কৃতঘ্নতা। এতকরে বলার পরও এরা ওদের দেশে খেলতে গেল না। এই মহা কৃতঘ্নতার ফল বাংলাদেশ ক্রিকেট হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। লাস্ট ওডিআই সিরিজেই আমরা দেখেছি বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাতে কীরম নাকানি চুবানি খেলো, বিশেষ করে গেইলের হাতে। আসল কথায় আসি, জামাত ভাইয়েরা, পাকিস্থান বাংলাদেশের অনেক উপকার করেছে কিন্তু প্রতিদানে তারা পেয়েছে/পাচ্ছে শুধুই ধিক্কার আর ধিক্কার। কিন্তু তোমরা পাকিস্থানীদের নিয়ে ভেবো না, তোমরা ভাবো তাদের দোসরদের নিয়ে। God আছেন, পাকিস্থানীরা যে ‘রক্তঋণে’ বাংলাদেশীদের বেঁধেছে সেই ঋণ শোধ করতে গ্রেনেড –ককটেলের রুপ ধরে হরহামেশাই তিনি পাকিস্থানে আবির্ভূত হন, পাকিস্থানের জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানে সহায়ক ভুমিকা পালন করার জন্য। সুতরাং তোমরা রাজপথ ছেড়ো
না, শান্তিপূর্ণভাবে ভাঙচুর, ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি করতে থাকো। কারণ তোমাদের কাঁধে শান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব অর্পিত। তোমাদের দায়িত্ব শুধু শান্তি রক্ষাই নয় শান্তির সংজ্ঞাটাও বদলে দেয়া। So… তৈরি থেকো মহান জামাতবৃন্দ, কারণ সাঈদির প্রোফাইলের চেয়ে আরও বড় প্রোফাইলের লিডার ‘waiting for the অন্যায় judgement’।
— in Dinajpur.
March 2, 2013
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
















