জীবনটা শুধু ঘ্যান-ঘ্যান,
প্যান-প্যান শুনতে শুনতেই
কেটে যাচ্ছে/গেল...!!!
"বইপড় -বইপড় -বইপড়;
সারদিন তো শুধু টো টো করে ঘুরছিস"
-অনেক কষ্টে বইপড়ার পাঠ চুকিয়ে এখন "চাকুরী -চাকুরী -চাকুরী!" ওটা জুটে গেলে তারপর শুরু হবে "বিয়ে-বিয়ে-বিয়ে"। "হ্যাঁ রে বিয়ে করবি কবে? কলিকাতা হারবালের নাম শুনেছিস তো -ওরা ৮০ বছরের বৃদ্ধকেও ২৫ বছরের * পাইয়ে দেয়। দরকার হলে ভাই ওখানে গিয়ে চিকিত্সা করা তবুও বিয়েটা কর" -আমি দিব্য
"বইপড় -বইপড় -বইপড়;
সারদিন তো শুধু টো টো করে ঘুরছিস"
-অনেক কষ্টে বইপড়ার পাঠ চুকিয়ে এখন "চাকুরী -চাকুরী -চাকুরী!" ওটা জুটে গেলে তারপর শুরু হবে "বিয়ে-বিয়ে-বিয়ে"। "হ্যাঁ রে বিয়ে করবি কবে? কলিকাতা হারবালের নাম শুনেছিস তো -ওরা ৮০ বছরের বৃদ্ধকেও ২৫ বছরের * পাইয়ে দেয়। দরকার হলে ভাই ওখানে গিয়ে চিকিত্সা করা তবুও বিয়েটা কর" -আমি দিব্য
দৃষ্টিতে দেখতে পাচ্ছি, চিন্ময়-
-রিমু -আশীষরা এধরণের কথা
নিয়ে তৈরী হয়ে আছে,
চাকরীর পরও এভাবে থাকলে
ওরা যে কোন সময়
ঝাঁপিয়ে পড়বে। "Impotent" কথাটা খুব লাগবে
-বিয়ে না করেও উপায়
নেই। এরপর হয়তো নিজেকে
মহাসুখী মনে হবে; আর
কাপড়_চোপড় এলোমেলো থাকবে না
-কথা বলার লোকের অভাব
আর হবে না, 'সঙ্গী
রিক্ত চির দুঃখ রাতি
পোহাবো কি নির্জনে শয়ন পাতি'
-গানটাও আর নিজের কথা
বলবে না! শুধু তুমি+আমি আর...
কিন্তু ঠাম্মা আছেন কী করতে... আমি যেন শুনতে পাচ্ছি!! এরপর তিনি বলা শুরু করবেন, 'মরার আগে একটাই ইচ্ছা তোমার বাচ্চাকে কোলে বসে খাওয়াবো, কী আর করা যাই এভাবেই মরে যাই'!
আর যেই মাত্র একটা হবে... চিন্তা-ভাবনা, স্বপ্ন-আকাঙ্গা সব পরিবর্তন হয়ে যাবে। নিজের পৃথিবীটা তখন আলাদা কক্ষপথে ঘুরবে।
থাক পড়ে সুদূর ভবিষ্যত্টা...
বর্তমানটারই যে অবস্থা...! আমার একাডেমিক কাগজপত্রের অবস্থা এমনিতেই খুব খারাপ, এম্পলিয়ীমেন্টের অবস্থা আরও ভয়াবহ...!!! হাতে গোনা যে কয়টাতে এপ্লাই করতে যাই বড় ভাইরা দেখি সেখানে প্রাণান্তকর চেষ্টা চালাচ্ছে। দু'তিন বছর আগেও দেখতাম পড়াশোনায় আমার 'ভজোগটো' অবস্থা দেখে তাঁরা হা হুতাশ করতেন, সমবেদনা জানানোর চেষ্টা করতেন। কয়েকজন তো পাত্তাও দিতে চাইতেন না কারণ তাঁরা RU, JU -তে পড়েন, তাঁদের দেখে মনে হত এই অচক্রবাল বিস্তৃত ধরিত্রীর সাত জনমের ভাগ্য যে এর উপরে তাঁদের পা পড়ে। আজ তাঁদের দেখে মনে হচ্ছে; পায়ের নিচ থেকে তাঁদের মাটি সরে যাচ্ছে।
ওপরের ওই ক্ষমতাওলা বড্ড খেয়ালী, তাঁর খেয়ালীর শিকার হয়ে ফস্ করে যদি একটা জব পেয়ে যাই, সমবেদনা প্রদানকারী এবং 'মুই কী হনু রে-ভাব ধরণকারী' ভাইদের দেখে আমার খুব খারাপ লাগবে।
ভাবছি দু'এক বছর এভাবেই থাকবো-কোথাও কোন এপ্লাই করবো না। এই দু'এক বছর শুধুই উপভোগ করবো; জীবনের সেরা সময় মনে করে....। বাপের ফাইভ স্টার হোটেল তো আছেই খোলা -দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা।
যেভাবে থাকতে চাচ্ছি... জানি সেভাবে থাকা সারাজীবন সম্ভব নয়। কোন এক সানডে মর্নিং এ হঠাত্ যদি মনে হয় সিটিসেল এর নেটওয়ার্ক খুব স্লো-নেক্সট মানডে আফটারনুনেই হতে জিপি মডেম চলে আসবে। বাবার কাছে টাকা চাওয়ার সময় মনে হবে, "টাকা দেয়ার জন্য তিনি ব্যাকুল হয়ে আছেন, কেহ চাইতে আসে না তাঁর কাছে"!! বাবার থেকে ওই টাকা নিতে আমার একটুও কুন্ঠা হবে না কিন্তু বিয়ের পর বৌয়ের জন্ম বিরতিকরণ সামগ্রী কেনার টাকা চাইতে খুব কুন্ঠা হবে।
[November 12,2012 at 11:03PM]
কিন্তু ঠাম্মা আছেন কী করতে... আমি যেন শুনতে পাচ্ছি!! এরপর তিনি বলা শুরু করবেন, 'মরার আগে একটাই ইচ্ছা তোমার বাচ্চাকে কোলে বসে খাওয়াবো, কী আর করা যাই এভাবেই মরে যাই'!
আর যেই মাত্র একটা হবে... চিন্তা-ভাবনা, স্বপ্ন-আকাঙ্গা সব পরিবর্তন হয়ে যাবে। নিজের পৃথিবীটা তখন আলাদা কক্ষপথে ঘুরবে।
থাক পড়ে সুদূর ভবিষ্যত্টা...
বর্তমানটারই যে অবস্থা...! আমার একাডেমিক কাগজপত্রের অবস্থা এমনিতেই খুব খারাপ, এম্পলিয়ীমেন্টের অবস্থা আরও ভয়াবহ...!!! হাতে গোনা যে কয়টাতে এপ্লাই করতে যাই বড় ভাইরা দেখি সেখানে প্রাণান্তকর চেষ্টা চালাচ্ছে। দু'তিন বছর আগেও দেখতাম পড়াশোনায় আমার 'ভজোগটো' অবস্থা দেখে তাঁরা হা হুতাশ করতেন, সমবেদনা জানানোর চেষ্টা করতেন। কয়েকজন তো পাত্তাও দিতে চাইতেন না কারণ তাঁরা RU, JU -তে পড়েন, তাঁদের দেখে মনে হত এই অচক্রবাল বিস্তৃত ধরিত্রীর সাত জনমের ভাগ্য যে এর উপরে তাঁদের পা পড়ে। আজ তাঁদের দেখে মনে হচ্ছে; পায়ের নিচ থেকে তাঁদের মাটি সরে যাচ্ছে।
ওপরের ওই ক্ষমতাওলা বড্ড খেয়ালী, তাঁর খেয়ালীর শিকার হয়ে ফস্ করে যদি একটা জব পেয়ে যাই, সমবেদনা প্রদানকারী এবং 'মুই কী হনু রে-ভাব ধরণকারী' ভাইদের দেখে আমার খুব খারাপ লাগবে।
ভাবছি দু'এক বছর এভাবেই থাকবো-কোথাও কোন এপ্লাই করবো না। এই দু'এক বছর শুধুই উপভোগ করবো; জীবনের সেরা সময় মনে করে....। বাপের ফাইভ স্টার হোটেল তো আছেই খোলা -দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা।
যেভাবে থাকতে চাচ্ছি... জানি সেভাবে থাকা সারাজীবন সম্ভব নয়। কোন এক সানডে মর্নিং এ হঠাত্ যদি মনে হয় সিটিসেল এর নেটওয়ার্ক খুব স্লো-নেক্সট মানডে আফটারনুনেই হতে জিপি মডেম চলে আসবে। বাবার কাছে টাকা চাওয়ার সময় মনে হবে, "টাকা দেয়ার জন্য তিনি ব্যাকুল হয়ে আছেন, কেহ চাইতে আসে না তাঁর কাছে"!! বাবার থেকে ওই টাকা নিতে আমার একটুও কুন্ঠা হবে না কিন্তু বিয়ের পর বৌয়ের জন্ম বিরতিকরণ সামগ্রী কেনার টাকা চাইতে খুব কুন্ঠা হবে।
[November 12,2012 at 11:03PM]

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন